February 15, 2021

লুৎফর রহমান রিটন ও আহমদ মাযহারের সঙ্গে আমি

২০১৮ সালের জুন মাসে নিউইয়র্কে ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন ও লেখক আহমদ মাযহারের সঙ্গে আমি। জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩ স্ট্রিটের ওপর।

লুৎফর রহমান রিটন ও আহমদ মাযহারের সঙ্গে আমি Read More »

বইমেলায় আমার আটটি উপন্যাস এক মলাটে

২০১৫ সালে অমর একুশের বইমেলায় আমার আটটি উপন্যাস এক মলাটে বের হয়েছিল। বইমেলায় এই গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট লেখক-কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ ড. নূহ-আলম-লেলিন।

বইমেলায় আমার আটটি উপন্যাস এক মলাটে Read More »

২০১২ সালে অমর একুশের বইমেলা

২০১২ সালে অমর একুশের বইমেলায় আমার রোমান্টিক গল্পের গ্রন্থ-লাবণ্য ভেজা মেঘ বেরিয়েছিল। বইমেলায় এর মোড়ক উন্মোচন করেন কবি নির্মলেন্দু গুণ।

২০১২ সালে অমর একুশের বইমেলা Read More »

চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিউইয়র্কে

চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিউইয়র্কে এসেছিলেন ২০১৮ সালে। তাঁকে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বিশেষ সম্মানিত সদস্য পদ প্রদান করা হয়। আমি সভাপতি ছিলাম। তাঁর সঙ্গে আমার ছবি। ছবিটি তুলেছিলাম ফ্রেশমেডো এলাকায় একটি রেষ্টুরেন্টের সামনে।

চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিউইয়র্কে Read More »

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিনভর আড্ডা

বাংলা সাহিত্যের দিকপাল শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিনভর আড্ডা দিয়েছিলেন ২০০৪ সালে নিউইয়র্কে। বইমেলা ও বাংলা উৎসবের আয়োজক বিশ্বজিৎ সাহা’র বাড়িতে তাঁর সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ‘কাগজ’ পত্রিকার জন্য। প্রবাস জীবনের নানা কথা তিনিও জিজ্ঞেস করেন আমাকে। প্রিয় লেখককে আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ-কষ্টের ধারাপাত উপহার দিই। তিনি বইটি নিয়ে পড়েন। দেখেন। তাঁর পাশে আমার কন্যা, বিশ্বজিৎ সাহা ও রুমা চৌধুরীর কন্যা বহতা সাহা ও ছেলেকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিনভর আড্ডা Read More »

আব্দুর গাফফার চৌধুরীর সঙ্গে নিউইয়র্কে আমি

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ অমর গানের রচিয়তা ও কলামিস্ট আব্দুর গাফফার চৌধুরীর সঙ্গে নিউইয়র্কে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। বাংলাদেশ মিশন আয়োজিত এক সভায় তিনি চমৎকার জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য রেখেছিলেন। আরবী ভাষা’র অর্থ না জেনে মসজিদ ও মানুষের নাম রাখার ভুল-বিভ্রান্তি কীরকম হয়, তা নিয়ে আলোচনা করেন। এ নিয়ে কট্টর মোল্লারা প্রতিবাদ সমাবেশ করে পরে। অনুষ্ঠানের দিন তাঁর পাশে আমি।

আব্দুর গাফফার চৌধুরীর সঙ্গে নিউইয়র্কে আমি Read More »

সজীব ওয়াজেদ জয়ের জীবনে প্রথম সাক্ষাতকার নেওয়া

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও আইটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জীবনের প্রথম সাক্ষাতকার আমি নিয়েছিলাম যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। এটিএন বাংলা টিভি’র জন্য এই সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম ২০০৫ সালে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক খালিদ হাসানের বাসভবনে। ক্যামেরায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল লিটন। সাক্ষাতকার নেয়ার পর খাবারের টেবিলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, এটা ছিল তাঁর জীবনের প্রথম সাক্ষাতকার। সাক্ষাতকারটি এটিএন বাংলা প্রচারিত হওয়ার প্রমো চলছিল। তখন বিএনপি সরকারের শাসনামল। হাওয়া ভবনের টেলিফোনে ঐ সাক্ষাৎকার ষেশ অব্দি অন-এয়ার হয়নি। পুত্র কেমন সাক্ষাতকার দিয়েছেন-জানার আগ্রহ ছিল মা শেখ হাসিনার। ঐ সাক্ষাতকারের সিডি আওয়ামী লীগ নেতা নিজাম চৌধুরী আমার কাছ থেকে নিয়ে যান ঐ সময়ের আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে দেবেন বলে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের জীবনে প্রথম সাক্ষাতকার নেওয়া Read More »

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ফাস্টলেডি হিলারী ক্লিনটনের সাক্ষাতকার গ্রহণ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ফাস্টলেডি হিলারী ক্লিনটনের সাক্ষাতকার গ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম ২০০৬ সালে। ওই সময়ে তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেট নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। আমি তখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম বাংলাদেশি মালিকানাধীন স্যাটালাইট টিভি এসটিভি ইউএস-এর প্রধান বার্তা সম্পাদক। প্রতিদিন দু’বেলা সংবাদ পরিবেশিত হয় নিউইয়র্কস্থ স্টুডিও থেকে। হিলারী ক্লিনটন নির্বাচনী প্রচারণায় এসেছিলেন কুইন্সের রিগোপার্ক এলাকায় লেফার সিটি ভবনে। খবর পেয়ে ক্যামেরা পার্সনকে নিয়ে হাজির হলাম ঐ স্থানে। একটি মিলনায়তনে বৈঠক চলছিল। আমি বাইরে অপেক্ষা করছিলাম। হিলারী মিটিং শেষ করে বের হতেই-তাঁর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম। তাঁকে বলেছিলাম-বাংলাদেশের কথা। হিলারী ক্লিনটনের পিএস বাধা দিয়ে পারলেন না। হিলারীকে বললাম- বাংলাদেশের একটি স্যাটালাইট টিভি চালু হয়েছে নিউইয়র্ক থেকে। যদি একটু শুভেচ্ছা জানাতেন। রাজী হলেন। দাঁড়ালেন ক্যামেরার সামনে। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকানদের শুভেচ্ছা জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে মার্কিন নির্বাচন ও নির্বাচনে কী হতে পাওে, জয়লাভ করলে কী করবে ইত্যাদি প্রশ্ন একের পর এক করতে লাগলাম। তিনি জবাব দিতে লাগলেন। এই আকস্মিক সাক্ষাৎকাওে বিশেষ ভূমিকা ও মধ্যস্থতা করেছিলেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আহসান। সেদিন হিলারী ক্লিনটনের সাক্ষাতকারটি এসটিভি ইউএস-এ লিড নিউজ করে দিই। ঢাকা’র একাধিক জাতীয় দৈনিকেও তাঁর সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয়। অনেক সাংবাদিক আমাকে ঢাকা থেকে টেলিফোন করে এমন সাক্ষাতকার নেয়ার ঘটনায় অভিনন্দন জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ফাস্টলেডি হিলারী ক্লিনটনের সাক্ষাতকার গ্রহণ Read More »

কংগ্রেসওম্যান গ্রেসম্যান এবং আমি

২০১৭ সালে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের পক্ষে আমি স্মারক পিন তুলেদিচ্ছিলাম যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান গ্রেসম্যানকে।

কংগ্রেসওম্যান গ্রেসম্যান এবং আমি Read More »